Monday, May 18, 2015

যদি ভৌতিক অনুভূতি পেতে চান

যারা ভূত বিশ্বাস করেন না তাদের জন্য সুইজারল্যান্ডের একদল গবেষক তৈরী করেছেন ভূত মেশিন! এই মেশিন তাদের ভৌতিক অনুভূতি পেতে বাধ্য করবে। গবেষকরা বলেছেন তাদের এই ভূত মেশিন শতভাগ সফল হয়েছে। কয়েকজন স্বেচ্চাসেবীকে দিয়ে তারা যন্ত্রটি পরীক্ষা করেছেন।
সুইস ফেডারেল ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি’র গবেষকরা বলেছেন, স্বেচ্চাসেবীদের এই মেশিনের সঙ্গে আটকে দিয়ে এর সুইচ টিপে দিতেই তারা ভয়ে কান্নাকাটি ও চিত্কার চেচামেচি শুরু করে দিয়েছিলেন।
কারণ হিসেবে তারা বলেছেন, কিভাবে জানি তাদের মনের মধ্যে ভৌতিক একটা অনুভূতি জন্মেছিল। শিরদাঁড়া ভয়ে শিরশির করছিল। যারা বলেন, ভূতের ভয় পাই না তাদের চ্যালেঞ্জ জানাতে হয়তো একদিন বাজারে চলে আসবে এই ভূত মেশিন!

Saturday, May 16, 2015

বিশ্বের সবচেয়ে ভয়ংকর রাস্তা!

বিশ্বের সবচেয়ে ভয়ংকর রাস্তা এটি। ভাবছেন রাস্তা আবার ভয়ংকর হয় কী করে! তাই না? পৃথিবীতে প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ মানুষ কিন্তু মারা যায় সড়ক দুর্ঘটনাতেই। তাই রাস্তার সাথে ভয়াবহতার আসলে অনেক পুরনো সম্পর্ক। যুক্তরাষ্ট্রের উটাহ অঙ্গরাজ্যের মোয়্যাব অঞ্চলের একটি দিগন্ত বিস্তৃত বেলেপাথরের পাহাড়ি ঘেরা রাস্তাকে বিশ্বের শ্রেষ্ঠ ভয়ংকর ও বিপদজনক রাস্তা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
প্রকৃতির নানা দৃশ্য দেখতে দেশ-বিদেশের পর্যটক ছুটে আসেন মোয়্যাব অঞ্চলে। প্রাণ হাতে করে তবু এই বিপদসঙ্কুল পথে গাড়ি চালাতে সারাবছরই হাজির হন অ্যাডভেঞ্চারপ্রিয় চালকরা। তবে মোয়্যাবে এই মোটর-অভিযানের মেয়াদ আর বেশি দিন নয়।
স্থানীও লোকজনের কাছে এটা ‘মৃত্যু সড়ক’ নামেও পরিচিত। প্রতিবছর এই রাস্তায় প্রায় ৩০০-৪০০ লোক মারা যায়। এই রাস্তা এতই সংকীর্ণ যে মাত্র একটি গাড়ি চলাচল করতে পারে। এই রাস্তাটি লা পাজ এবং করইকো নামক স্থান দুটির সংযোগ সড়ক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। রাস্তাটি ভূমি থেকে প্রায় ৩০০০ ফুট উপরে অবস্থিত। রাস্তার একপাশে পাহাড় থাকার কারনে এই রাস্তায় ভূমি ধস ও পাহাড় ধস হয়ে থাকে।
সম্প্রতি উটাহ-র এই অঞ্চলে বেশ কয়েকশ’ হেক্টর জমি কিনেছে এক ডেভেলপার সংস্থা। জমি হাঙরের দখলে চলে যেতে বসেছে লায়নস ব্যাক ট্রেইলও। পাহাড়তলিতে গড়ে উঠতে চলেছে বিশাল টাউনশিপ। আর সেই সুবাদে চিরতরে বন্ধ হয়ে যেতে বসেছে অ্যাডভেঞ্চারের দুর্গম পথ। এই ব্যবস্থার বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তুলেছেন প্রকৃতিপ্রেমী ও অ্যাডভেঞ্চার বেশ কয়েকটি সংগঠন।

Friday, May 15, 2015

সন্তান নিলে ফ্রিতে মিলছে বিশাল সরকারী প্লট সহ আকর্ষণীয় সব দামী উপহার !

কি চমকে গেলেন নাকি ? চমকাবেননা ঘটনা সত্যিই সন্তান নিলেই বদলে যাবে বাবা-মায়ের ভাগ্য, পাবেন সরকারী অনেক সুযোগ সুবিধা ! জেনে খুশি হবেন যে এখন সন্তান নিলে সম্পূর্ণ ফ্রিতে মিলছে বিশাল প্লট সহ আকর্ষণীয় দামী উপহার ! তবে সেটা আমাদের দেশে নয় । ফিনল্যান্ডের ছোট ছোট শহরগুলোতে দিনে দিনে কমছে মানুষের সংখ্যা। তাই জনসংখ্যা বাড়াতে এসব শহর নানা অভিনব কৌশল নিচ্ছে। কোন শহরে নতুন বাসিন্দাদের এক ইউরোর বিনিময়ে দেয়া হচ্ছে বিরাট প্লট। কোন শহরে দম্পতিদের নতুন সন্তান জন্ম দেয়ার জন্য দেয়া হচ্ছে বোনাস। ফিনল্যান্ডের জাতীয় বেতার স্টেশন এখবর দিচ্ছে।
ফিনল্যান্ডে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ছোট শহর ছেড়ে সবাই বড় শহরের দিকে ছুটছে। এই প্রবণতা দিনে দিনে বাড়ছে। অ্যাসোসিয়েশন অব ফিনিশ লোকাল এন্ড রিজওনাল অথোরিটিজ জানাচ্ছে, দুই তৃতীয়াংশের বেশি ছোট পৌরসভা বা শহর এক নামমাত্র মূল্যে প্লট দিয়ে মানুষকে আকৃষ্ট করার চেষ্টা করছে।
অনেক শহরে দম্পতিদের সন্তান নিতে উৎসাহ যোগাতে বোনাস ঘোষণা করা হয়েছে। এই বোনাসের পরিমাণ শহর-ভেদে ভিন্ন। যেমন পশ্চিম ফিনল্যান্ডের একটি শহর, লেসটিজার্ভিতে এরকম ‘বেবি বোনাসের’ পরিমাণ প্রায় দশ হাজার ইউরো।

কিন্তু বড় অংকের বোনাসের পরও শহরটির লোকসংখ্যা মাত্র ৮১৫ জন। অ্যসোসিয়েশন অব ফিনিশ লোকাল এন্ড রিজওনাল অথোরিটিজ বলছে, এসব কৌশলে কোন ফল হচ্ছে কিনা বলা মুশকিল।
কিন্তু একটি শহর উটাজারভি স্বীকার করছে, তারা অনেক চেষ্টা করেও শহরের জনসংখ্যা বাড়াতে পারেনি। গত দশ বছর ধরে তারা এক ইউরোর বিনিময়ে প্লট অফার করে গেছে, কিন্তু খুব কম মানুষকেই এতে আগ্রহী করা গেছে। উটাজারভির জনসংখ্যা এখনো তিন হাজারের নীচে।