Monday, January 26, 2015

ধূমকেতুর গঠন নিয়ে নতুন তথ্য

ধূমকেতুতে বিস্ময়করভাবে কিছু সাধারণ জৈব অণুর প্রলেপ এবং গ্যাসের পরিবর্তনশীল স্তর খুঁজে পেয়েছে ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থার (ইএসএ) মহাকাশযান রোসেটা। ধূমকেতু প্রদক্ষিণকারী মহাকাশযানের এই আবিষ্কারের ফলে প্রাচীন মহাজাগতিক কাঠামোটির গঠন ও উৎস নিয়ে নতুন প্রশ্নের উদে৶ক হয়েছে।
রোসেটার বিজ্ঞানীরা দাবি করছেন, সিক্সটিসেভেনপি নামের ধূমকেতুটির বরফপূর্ণ উপাদানগুলো কীভাবে সৃষ্টি হয়েছে, সেই রহস্য তাঁরা সম্ভবত ভেদ করতে পেরেছেন। ধূমকেতুটির পৃষ্ঠতলের নতুন নতুন ছবি দেখে মনে হচ্ছে, সেখানকার পিণ্ড আকৃতির জিনিসগুলোই কাঠামোটির মূল গাঠনিক উপাদান।
এই ব্যাখ্যা সত্যি হলে তা নিঃসন্দেহে এক বড় আবিষ্কার বলে গণ্য হবে। এই গবেষণার প্রতিবেদন সায়েন্স সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে। ১০ বছরব্যাপী যাত্রা শেষে রোসেটা গত আগস্টে সিক্সটিসেভেনপি/চুরিয়ুমভ-গেরাসিমেঙ্কো নামের ধূমকেতুতে পৌঁছায়। দীর্ঘমেয়াদি গবেষণার লক্ষ্যে রোসেটা থেকে ফিলে নামের একটি ছোট নভোযান গত নভেম্বরে ওই ধূমকেতুর পৃষ্ঠে অবতরণ করে।
প্রায় ৪৬ লাখ বছর আগে সৌরজগতের গ্রহগুলো সৃষ্টির পর ধূমকেতুগুলো উচ্ছিষ্ট হিসেবে রয়ে যায় বলে ধারণা করা হয়। রোসেটার অভিযানের উদ্দেশ্য হচ্ছে ধূমকেতু নিয়ে গবেষণার মাধ্যমে সৌরজগৎ সৃষ্টির প্রাথমিক দিনগুলো নিয়ে অনুসন্ধান চালানো। ফিলের গবেষণাকাজ আপাতত স্থগিত রয়েছে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা গত বৃহস্পতিবার প্রকাশিত সাতটি নিবন্ধে সিক্সটিসেভেনপিতে রোসেটার প্রথম দুই মাসের কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত জানিয়েছেন। তাঁদের মতে, ধূমকেতুটির ভর আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের (আইএসএস) ভরের তুলনায় প্রায় ১০ কোটি গুণ বেশি। ওই ধূমকেতুতে রয়েছে বালিয়াড়ি ও ঢেউয়ের চিহ্ন। আরও আছে বরফ এবং বিপুল পরিমাণ হাইড্রোকার্বন।
ধূমকেতুটির পৃষ্ঠে আরও কার্বনসমৃদ্ধ উপাদান পাওয়া যাবে বলে বিজ্ঞানীরা আশা করছেন। আর সেখানে সাধারণ হাইড্রোকার্বনের অস্তিত্ব পাওয়ার ফলে সেগুলোর উৎস নিয়ে নতুন কৌতূহল তৈরি হয়েছে। জৈব উপাদানগুলো কীভাবে সৃষ্টি হলো এবং সৌরজগতের বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে পড়ল, তা নিয়ে নতুন করে ভাবতে শুরু করেছেন বিজ্ঞানীরা। প্রথমে তাঁদের খুঁজে বের করতে হবে, কালের বিবর্তনে ধূমকেতুটি কীভাবে পরিবর্তিত হয়েছে। সিক্সটিসেভেনপি এখন সূর্যের দিকে ধাবমান।
ধূমকেতুটির শরীর থেকে নিঃসৃত বিভিন্ন গ্যাসে ইতিমধ্যে নানাবিধ বৈচিত্র্য খুঁজে পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। রোসেটার বিজ্ঞানী এবং যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের সাউথওয়েস্ট রিসার্চ ইনস্টিটিউটের গবেষক মার্থা হ্যাসিং বলেন, বিভিন্ন ঋতুতে রোসেটার পরিবর্তন সম্পর্কেও পরে জানা যাবে। আর এই গবেষণার মাধ্যমে ধূমকেতুর গঠন ও ক্রমবিকাশ সম্পর্কে নতুন ধারণা অর্জন করা সম্ভব হবে।
একই প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞানী স্টিফেন ফুসেলিয়ের বলেন, আগে তাঁরা শিখেছেন, ধূমকেতুগুলো মূলত পানির বরফে তৈরি। কিন্তু এই ধূমকেতুর সামনের অংশে পানির বাষ্পের চেয়ে কার্বন ডাই-অক্সাইডের উপস্থিতিই বেশি দেখা যাচ্ছে।
এখন এটা স্পষ্ট যে ধূমকেতুটি কেবল বরফের বড় একটি পিণ্ড নয়, এটির আরও অনেক বেশি জটিল। কারণ, এতে রয়েছে অনেক ধূলিকণা এবং পাথুরে উপাদান। ধূমকেতুটি থেকে নিঃসৃত ধূলি ও গ্যাসের অনুপাত (৪ অনুপাত ১) স্পষ্ট এবং সেখানকার দুর্গম খাড়া কাঠামোগুলো বেশ শক্ত উপাদানে তৈরি।
সব মিলিয়ে, ধূমকেতুটির ভেতরের অংশ বিজ্ঞানীদের আগের ধারণার চেয়ে বেশি নরম ও সচ্ছিদ্র বলে মনে হচ্ছে। সিক্সটিসেভেনপি সূর্যের দিকে এগিয়ে যাবে এবং রোসেটাও এটিকে অনুসরণ করতে থাকবে। হাঁসের মতো গঠনের ধূমকেতুটি সূর্যের কাছাকাছি গিয়ে গতিপথ পাল্টাবে। এটি আগামী ১৩ আগস্ট সূর্যের সবচেয়ে কাছাকাছি (১৮ কোটি ৬০ লাখ কিলোমিটার দূরে) অবস্থানে থাকবে।

Sunday, January 25, 2015

আসছে স্কাইপে কিলার

স্কাইপের জন্য দুঃসংবাদ! এটিকে রীতিমতো চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ‘কিম ডটকম’। এরা সম্প্রতি ভিডিও চ্যাট ও ভয়েস কল সার্ভিস চালুর ঘোষণা দিয়েছে। এটির নাম দেয়া হয়েছে ‘মেগাচ্যাট’।
প্রযুক্তিবিদেরা ধারণা করছেন, স্কাইপের সঙ্গে মেগাচ্যাটের তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে।
কিম ডটকম হলো অনলাইনভিত্তিক ‍উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান। যেটি অধুনা বিলুপ্ত ফাইল শেয়ারিং ওয়েবসাইট মেগাআপলোডের প্রতিষ্ঠাতা।
গত বুধবার এক টুইট বার্তায় কোম্পানির পক্ষ থেকে বলা হয়, ধাপে ধাপে মেগাচ্যাট চালু করা হবে। প্রথমে এটির বেটা সংস্করণ বাজারে আসবে। শুরুতেই ভিডিও চ্যাটের সুযোগ থাকছে। এরপর এটির সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে টেক্সট চ্যাট এবং ভিডিও কনফারেন্স।
কিম ডটকম ‘মেগাচ্যাট’কে ইতোমধ্য স্কাইপে কিলার বলে ঘোষণা দিয়ে আলোচনায় এসেছে। এখন কেবল অপেক্ষার পালা। আসলেই কি স্কাইপেকে হারাতে পারবে মেগাচ্যাট?

Tuesday, December 16, 2014

ফেসবুকে যেসব লিঙ্কে কখনই ক্লিক করবেন না!

ফেসবুক প্রোফাইলের থিম পাল্টানোর রিকোয়েস্ট এসেছে আপনার কাছে? তাহলে সাধু সাবধান। ফেসবুকে ‘কালার বা থিম চেঞ্জ’ বা রং পরিবর্তনের একটি ম্যালওয়্যার নতুন করে ছড়িয়ে পড়েছে। ইতিমধ্যে বিশ্বজুড়ে ১০ হাজারের বেশি ফেসবুক ব্যবহারকারীকে বোকা বানিয়ে এই ভাইরাসটি আক্রমণ করেছে টাইমলাইনে।
সংবাদসংস্থা সূত্রে খবর, ফেসবুকে প্রোফাইলের রং পরিবর্তনের এই ম্যালওয়্যারটি আগেও ছিল। ফেসবুক কর্তৃপক্ষ এই ম্যালওয়্যারটি সরিয়ে ফেললেও আবারও তা ফিরে এসেছে। এই ম্যালওয়্যারটি একটি বিজ্ঞাপনের আকারে ফেসবুক ব্যবহারকারীকে তাতে ক্লিক করতে প্রলুব্ধ করে। এতে বলা হয়, এখন থেকে ফেসবুক ব্যবহারকারীরা তাদের প্রোফাইলের রং পরিবর্তনের সুযোগ পাবেন। এই অ্যাপটি ডাউনলোড করতেও বলা হয়। এই অ্যাপটি ডাউনলোড করতে গেলেই ভাইরাসপূর্ণ একটি সাইটে চলে যাবেন ব্যবহারকারী। এরপর থেকেই শুরু হবে বিপদ।
রং পরিবর্তনের বিজ্ঞাপনে ক্লিক করা হলে ফেসবুকে লগ ইন তথ্য চুরি করে নেয় এই ম্যালওয়্যারটি। এ ছাড়াও ব্যবহারকারীদের রং পরিবর্তন করার জন্য একটি টিউটোরিয়াল ভিডিও দেখতে বলে। এ ছাড়াও ফেসবুক ব্যবহারকারীদের বন্ধুদের কাছেও এই ম্যালওয়্যারটি ছড়িয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। বিজ্ঞাপনে ক্লিক করার পর যদি ব্যবহারকারী ভিডিও না দেখেন, তখন ওই ম্যালওয়্যারপূর্ণ সাইটটি জোর করে একটি অ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করতে বাধ্য করে। এ ছাড়াও কম্পিউটারে একটি পর্নোগ্রাফিক ভিডিও প্লেয়ার ডাউনলোড করানোর চেষ্টা করে।
বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, এ ধরনের স্প্যামে ক্লিক করবেন না। যদি এ ধরনের কোনো অ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করা দেখেন তবে তা দ্রুত আন-ইনস্টল করে দিন এবং দ্রুত ফেসবুকের পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করে ফেলুন।
নতুন এই ভাইরাসটি ছাড়াও ফেসবুকে বেশ কয়েকটি জনপ্রিয় স্ক্যাম সম্পর্কে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন অ্যান্টিভাইরাস নির্মাতাপ্রতিষ্ঠান বিটডিফেন্ডারের বিশেষজ্ঞরা। তাদের মধ্যে আর একটি হলো, প্রোফাইল দেখার পরিসংখ্যান। আপনার ফেসবুক প্রোফাইল কে কতবার দেখছেন, তা জানানোর জন্য একটি লিঙ্ক হয়তো আপনার নিউজ ফিডে দেখতে পারেন। কারা কতবার আপনার প্রোফাইল দেখছেন, সে তথ্য জানানোর জন্য বিজ্ঞাপন আকারে যে প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়, তা সম্পূর্ণ ভুয়া। ফেসবুক এ ধরনের কোনো জিনিস অনুমোদন করে না। এ ধরনের কোনো লিঙ্ক দেখলে ক্লিক করবেন না।
এরকমই আর একটি হলো স্প্যাম হল কোনও বিখ্যাত ব্যক্তিত্বের নামে সেক্স টেপ। ‘লিকড সেক্স টেপ’ নামে ফেসবুকে অসংখ্য স্প্যাম রয়েছে।
বিনা মূল্যে ফেসবুকের টি-শার্ট বা অন্য কোনো উপহার সামগ্রী দেয়ার লোভ দেখিয়ে আপনাকে কোনো লিঙ্ক ক্লিক করতে বলা হলে তাতে ভুলেও ক্লিক করবেন না।

ফেসবুকে নতুন ভাইরাস!

ফেসবুকে নতুন একটি ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে। ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের কাছ থেকে আসা ভিডিও লিংকের মাধ্যমে ছড়াচ্ছে ‘হেই নাউ আই ওয়াচ ইয়োর ভিডিও ফান-মেটিনটু ডটকম’ বার্তাযুক্ত ভাইরাসটি। এই ভাইরাসটিকে বলা হচ্ছে ‘প্লেগ’ যা ফেসবুক বন্ধুদের বার্তার মাধ্যমে একজন থেকে আরেকজনের কাছে ছড়াচ্ছে। এই ভাইরাসে ইংরেজিতে একটি বার্তা লেখা থাকে এবং ভিডিও দেখার জন্য বলা হয়। এতে যাঁকে ভিডিও দেখতে বলা হয় সেই ব্যবহারকারীর প্রোফাইল ছবি, নাম প্রভৃতিও যুক্ত থাকে। এই বিষয়টি ব্যবহারকারীকে বিভ্রান্ত করে ভিডিও লিংকটিতে ক্লিক করার জন্য প্রলুব্ধ করে। ভিডিও লিংকটিতে লেখা থাকে ‘ক্লিক ফর ওয়াচ ভিডিও ফান-মেটিনটু ডটকম’।
এই ভিডিও লিংকটি ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের কাছ থেকে বার্তা হিসেবে আসে বলে অনেকেই ভুল করে ক্লিক করে বসেন। যাতে ভাইরাসটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধু তালিকায় থাকা সব বন্ধুদের কাছে ছড়িয়ে পড়ে। এই লিংকটিতে ক্লিক না করার পরামর্শ দিচ্ছেন কম্পিউটার নিরাপত্তা বিশ্লেষকেরা।

ভাইরাসটি যেভাবে দূর করবেন
এই ভাইরাসটি কোনো সফটওয়্যার প্রোগ্রাম নয়। এটি শুধু মাত্র একটি স্ক্রিপ্ট। অনেকেই এই ভাইরাস দূর করতে পুরো ব্রাউজার ডিলিট করে দেন। এই ভাইরাসটি দূর করতে শুধু এক্সটেনশন পরিস্কার করলেও চলবে। এ ছাড়াও ব্রাউজারে টেম্পরারি ফাইল, কুকিস মুছে দিলেও এই ভাইরাসটি দূর করা যাবে। যদি এক্সটেনশন মুছতে না পারেন তবে ব্রাউজার ডিলিট করে আবার রিইনস্টল করতে পারেন। এ ছাড়াও ট্রেন্ড মাইক্রো অ্যান্টিভাইরাস দিয়ে কম্পিউটার স্ক্যান করেও এই ভাইরাস দূর করা যাবে।

আমরা কেন খুশিতে কাঁদি?






 কষ্ট পেলে কান্নাকাটি করাটাকে আমরা স্বাভাবিক বলেই ধরে নেই। অনেকে খুব বেশি খুশির মুহূর্তেও ঝরঝর করে কেঁদে ফেলেন। কিন্তু এর পেছনে কারণটা কি? কেন আনন্দের মুহূর্তে আমরা কাঁদি?
নতুন এক গবেষণা অনুযায়ী, আনন্দের মুহূর্তে এরকম নেতিবাচক বহিঃপ্রকাশ দেখানোর কারণ একটাই। আমরা যেন বেশি খুশিতে আত্মহারা হয়ে না যাই, কারণেই কেঁদে ফেলি আমরা। Psychological Science জার্নালে প্রকাশিত ইয়েল ইউনিভার্সিটির এই গবেষণায়ডাইমর্ফাস এক্সপ্রেশনএর ওপর পরীক্ষা নিরীক্ষা করা হয়।ডাইমর্ফাস এক্সপ্রেশনএর অর্থ হলো যেসব অনুভূতির বহিঃপ্রকাশ দুইভাবে হয়। যেমন আনন্দের কোনো সিনেমা দেখতে গেলে খুশিতে একদিকে চোখে পানি চলে আসে আবার ঠোঁটে ফুটে ওঠে হাসি। এই গবেষণায় দেখা যায়, একটি অনুভবের সাথে দুই ধরণের বহিঃপ্রকাশ দিচ্ছেন মানুষেরা
ভালো অনুভূতি তৈরির জন্য ছোট বাচ্চাদের মিষ্টি ছবি দেখানো হয় অংশগ্রহণকারীদের এবং তাদের অনুভূতির ব্যাপারে জিজ্ঞেস করা হয়। দেখা যায়, যারা এই ইতিবাচক অনুভূতির প্রেক্ষিতে ইতিবাচক এবং নেতিবাচক দুই ধরণেরই বহিঃপ্রকাশ দেন, তারা নিজেদের অনুভূতি নিয়ন্ত্রণ করতে বেশি সক্ষম। এতে ধারণা করা হচ্ছে, একই অনুভূতির বিপরীত দুই ধরণের বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়ে আমাদের মানসিকতাকে নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে আমাদের মস্তিষ্ক
শুধু ইতিবাচক অনুভূতির ক্ষেত্রেই নয়, একই ঘটনা দেখা যায় নেতিবাচক অনুভূতির ক্ষেত্রেও। অনেক সময়ে দেখা যায়, খুব বেশি কষ্ট পেলে মানুষ কান্নার পাশাপাশি হেসে ফেলে। তবে সবার মাঝে এইডাইমর্ফাস এক্সপ্রেশনদেখা যায় না। কেন যায় না তার ব্যাপারে নিশ্চিত নন গবেষকেরা। তবে ধারণা করা হচ্ছে যাদের মাঝে এই বিশেষত্ব আছে তারা নিজেদের অনুভূতি প্রকাশের বেশি সক্ষম এবং খুব সহজেই তারা আবেগপ্রবণ হয়ে ওঠেন